পুতিনের চীন সফর: সব কার্ডই চীনের হাতে কেন এতটা গুরুত্বপূর্ণ
সব ক র ডই চ ন র – সব কার্ডই চীনের হাতে আছে বলে মনে হয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরের পরিপ্রেক্ষিতে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকের পর পুতিন বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। এই সফর রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে কারণ চীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবর্তন সম্পর্কে কোনো পরিকল্পনা রেখেছে না।
সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা দৃঢ় করছে
রাশিয়া এবং চীনের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০১ সালে সুপ্রতিবেশী সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে। বেইজিংয়ের কাছে পরপর সফরগুলো দুই দেশের দৃঢ় কূটনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও সামরিক প্রযুক্তি বিমূর্ত আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে রাশিয়া ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর হতে চলছে। চীন রাশিয়ার জ্বালানি সম্পদ বৃদ্ধির জন্য ও রাশিয়া চীনের প্রযুক্তি ব্যবহারে নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির জন্য এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
‘আমি মনে করি এখানে কোনো বড় পরিবর্তন আসতে পারে না,’
বলে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ওলেগ ইগনাতভ। তিনি দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন। বিশেষ করে রাশিয়া চীনের সাথে জ্বালানি খাতে যুক্ত হওয়া পরিকল্পনার জন্য আগ্রহী।
রাশিয়া এখন ছোট ও নির্ভরশীল অংশীদারে পরিণত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পর পুতিন চীনের সাথে সামরিক সহায়তা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও আগ্রহী। সব কার্ডই চীনের হাতে আছে বলে মনে হয় যে রাশিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও চীনের প্রতি নিষ্পাপ দৃষ্টিভঙ্গি পুনরায় বৃদ্ধি করছে।
বিশ্বব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া প্রদান করছে
চীন ও রাশিয়া একটি বহুমেরুর বিশ্বব্যবস্থা গড়তে চাইছে। এ প্রতিক্রিয়া বিশ্বে কোনো একক শক্তি স্থাপন করতে চায় না। তারা বিশ্বাস করে যে চীন ও রাশিয়া একত্রে অন্য দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় রাখতে পারবে। সম্পর্ক বাড়ানোর মাধ্যমে রাশিয়া সব কার্ডই চীনের হাতে আছে বলে প্রমাণ করছে।
ট্রাম্পের বেইজিং সফর ও পুতিনের সফরের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে রাশিয়া চীনের সাথে যুক্ত হয়ে অন্য দেশের প্রতি স্বাধীন কর্মকান্ড করতে পারবে। স
