পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের খুন ঘটেছে, সন্দেহভাজন নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার
পল লব ত প শ র ফ – পুলিশ জানিয়েছে যে পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সন্ধ্যায় তিনি ফতুল্লা থেকে আটক করা হয়।
আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে
পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার বলেন, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি এখনো এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে যে শিশুটির খুন ঘটেছে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ঘটনার পর কক্ষ থেকে পাশের ফ্ল্যাটে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির সামনে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান যে রামিসার পায়ে জুতা পড়ে আছে।
এ ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি পেশায় রিকশার মেকানিক। তাঁর কক্ষ থেকে রক্তমাখা আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
সামনে উদ্ধার করা হয় রামিসার লাশ পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে। তাঁর মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শরীরের মূল অংশ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, যিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট।
রামিসার চাচা এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসার বড় বোন রাইসার সঙ্গে তিনি স্কুলে যাওয়ার কথা। হঠাৎ রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন তাঁর মা পারভীন ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে দেখেন, রামিসার পায়ে একটি জুতা পড়ে আছে। দরজা খোলা হয়নি বলে তিনি নক করেন।
পরিবারটি পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়িতে বসবাস করছে। ঘটনার আগে সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
রামিসার পরিবারের উপস্থিতির সাথে সাথে পুলিশ এসে দ
