রাজশাহীতে ৩০০ বস্তা জিরা লুটের ঘটনা আবার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
র জশ হ ত ৩০০ বস ত – র জশ হ ত ৩০০ বস্তা জিরা লুটের ঘটনার সাত দিন পর রাজশাহীতে আবার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ী মো. ফেরদৌস সরদার (২৬)। তিনি রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার সিনারুল ইসলাম (৩৩) নামে এক ইমপোর্ট ব্যবসায়ীর সাথে সংঘটিত হয়েছে সেই লুটের ঘটনা। রাজশাহীতে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুজাত আহম্মেদ (৫৫) এর নেতৃত্বে তিনি লুট করেছিলেন পাবনার পাইকারি ব্যবসায়ী ফেরদৌস সরদারের ৩০০ বস্তা জিরা। এ ঘটনার আগে ব্যবসায়ী ফেরদৌস লিখিত অভিযোগ করেছিলেন বাঘা থানায়, কিন্তু মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে মামলা ঝুলিয়ে রেখেছিলেন পুলিশ।
ট্রাক ও মালপত্র চুক্তির আগে বিপর্যস্ত হয়েছিল
ব্যবসায়ী ফেরদৌস বলেছেন, লুট করা হয়েছিল বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকায় সিনারুল ইসলামের মাধ্যমে। তিনি রাজশাহী থেকে একটি ট্রাকে জিরা পৌঁছে দিয়েছিলেন আড়ানীতে। ট্রাক নিয়ে আসা হয়েছিল ৩০০ বস্তা জিরা যার মোট ওজন ছিল ৯ হাজার কেজি। মালপত্র নামানোর আগে তিনি টাকা দিয়েছিলেন একটি প্রমাণের জন্য পূবালী ব্যাংকের সই করা ফাঁকা চেক। কিন্তু সেই চেকের বিপরীতে টাকা নেই হওয়ায় তাঁরা আর তাঁকে পরিশোধ করতে চাইছেন না।
র জশ হ ত ৩০০ বস্তা জিরা লুটের ঘটনার পর পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছিল কিন্তু জিরা উদ্ধার করতে পারেনি। অবশেষে আড়ানী পৌর বিএনপির সভাপতি তোজাম্মেল হক রাত ১০টার দিকে পুনরায় তল্লাশি করেন। তিনি সরাসরি উদ্ধার করেছিলেন অর্ধেক জিরা এবং বাকি জিরার দাম মীমাংসা করা হয় দুদিন পর। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা তোজাম্মেল হক জানান, তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন জিরা উদ্ধারের জন্য যার পরিণতি হয়েছে সাত দিন পর।
ভটভটি থেকে জিরা উদ্ধার করা হয়েছে সাত দিন পর
বিএনপি নেতা তোজাম্মেল হক দায়িত্ব নিয়ে সুজাত আহম্মেদের বাড়ি থেকে জিরা উদ্ধার করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর চেষ্টায় রাজশাহীতে জিরা লুটের ঘটনার পর পুনরায় মামলা করা হয়েছে ওই বস্তা নিয়ে যে কেউ দায়ী। এ ঘটনায় সুজাত আহম্মেদ ও তাঁর ভাগনে দুই জায়গায় জিরা লুট করেছিলেন। এ বিষয়ে পুলিশের তল্লাশির মাধ্যমে সুজাত আহম্মেদের সাথে সম্পর্কিত ছিল তিনি আরও এক জায়গায় জিরা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বিএনপি নেতা সুজাত আহম্মেদ এবং তাঁর ভাই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫), ভাগনে মো. সুইট (২৫) ও মো. শান্ত (২৮) এ ঘটনার জন্য দায়ী। তিনি বলেন, র জশ হ ত ৩০০ বস্ত
