অটোরিকশা-প্রাইভেট কারের ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ছয় সাংবাদিকসহ ১৬ জন আহত
ঘটনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে
অট র কশ প র ইভ ট – মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে প্রাইভেট কার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে ঘষা লাগার ফলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়েছেন যে ঘটনায় ছয় সাংবাদিক সহ মোট ১৬ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত পাঁচ ব্যক্তিকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আগে ছয় জন সাংবাদিক এবং অন্যান্য ব্যক্তি পরিবহন শ্রমিকদের হামলার শিকার হন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন কর্মকর্তা জানান, তাঁদের হাসপাতালে ১৬ জন চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। বেশির ভাগ আহত মাথা ও শরীরে আঘাত পেয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সবশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে যেন ঘটনা শান্ত করা যায়।
মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়েই আমি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজ নিয়েছি। পরে পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ে বৈঠক করেছি যেন পরিস্থিতি মেনে নিয়ে শান্তি ফিরে আসে।’
সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের হামলার শিকার হন। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, দুপুরে অটোরিকশা ও প্রাইভেট কারের মধ্যে ঘটনা ঘটে। তারপর কথা-কাটাকাটি হয়ে যায়, কিছু সময় পর তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
আহত সাংবাদিক ইসমাইল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গেলে পরিবহন শ্রমিকরা আমাদের দিকে তেড়ে আসে। সহকর্মী আমজাদ হোসেন বাচ্চুকে পাইপ ও কাঠের টুকরা দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে অন্য সহকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।’
সংঘর্ষে আহত হন সাংবাদিকদের নাম হলো আমজাদ হোসেন (বাচ্চু), ইসমাইল মাহমুদ, এহসান বিন মুজাহিদ, এস কে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আলামিন। আহত ব্যক্তিরা হলেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু (৪৯), ইসমাইল মাহমুদ (৫৭), এহসানুল হক (৩৪), উজ্জ্বল কুমার দাশ (৪৪), নূর মোহাম্মদ সাগর (৩৩), মো. আলামিন (৩০), রাব্বি (২২), আইয়ুব আলী (৪০), বিশাল (২২), শওকত (৪৪), রাকিব (১৯), বিল্লাল মিয়া (৩২), চয়ন মিয়া (৩৮) ও আমির মিয়া (২৪)। অন্য দুই জনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
