ভাইরাল হওয়া ‘রাগ করলা?’ সংলাপের ব্যক্তি কবিরাজ নন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর
র গ করল ভ ইর ল উক – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত ও ভাইরাল সংলাপগুলোর একটি হলো ‘রাগ করলা?’ এই কথাটি। ফেসবুকের পোস্টের ক্যাপশন, মন্তব্য ঘর, ইনবক্সের চ্যাট—সব জায়গাতেই এই সংলাপ ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটি হাস্যরসের জন্য কেউ ব্যঙ্গ করতে এবং খোঁচা দেওয়ার ভাষা হিসেবে কেউ ব্যবহার করছেন। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বিখ্যাত ইমান আলি দ্বারা পোস্ট করা ভিডিও থেকে সংলাপটি শুরু হয়েছিল।
ভিডিও কোথা থেকে আসল?
১২ মে ইমান আলির ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘দানবের মতো ছেলেটির হাত দেখে কবিরাজ ভবিষ্যৎ বলে দিল…’ এটি প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ বার দেখা হয়েছে। প্রতিক্রিয়া পড়েছে ৪ লাখ ৭০ হাজারের বেশি, মন্তব্য এসেছে প্রায় ২৬ হাজার এবং শেয়ার হয়েছে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি।
‘এগুলি যাকে বলবে সবার সাথেই মিলবে! এরা বস্তুত ধুরন্ধর চালাক!’
সানা উল্লাহ মাহমুদ কায়সার মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে সংলাপটি বাস্তব ঘটনা হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে। সংলাপের প্রকার ও চোখের ইশারার ফলে দর্শকদের হাস্যরস হয়ে ওঠে। ভাইরাল হওয়ার পর অনেকের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে—তিনি সত্যিই কবিরাজ কিনা?
ইমান আলি কবিরাজ নন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর
অনুসন্ধানে দেখা যায় ইমান আলি কবিরাজ নন। তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে অভিনয়ে যুক্ত। তার সহকারী হানিফ বলেন, ‘ভিডিওটি শুধু বিনোদনের উদ্দেশ্যে নির্মিত অভিনয়ভিত্তিক কনটেন্ট।’ প্রোফাইলটি থেকে নিয়মিত হাস্যরসাত্মক ভিডিও পাওয়া গেছে।
‘শুটিংয়ের সময় অনেক সময় মনমতো অভিনয় না হলে আমরা একে অপরকে মজা করে বলতাম—কি রাগ করলা?’
হারুন অর রশিদ বলেন, তাদের টিমের সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন পেজ ও প্রোফাইল খুলেছে। তারা সামাজিক সচেতনতামূলক ও হাস্যরসাত্মক ভিডিওতে নিয়মিত অভিনয় করছেন।
ভিডিও কোথা থেকে শুরু হলো?
গাজীপুরের চন্দ্রায় শুটিং হয়েছিল ভিডিওটির। তখন কাজ করা এক তরুণের হাত দেখে ইমান আলি বিভিন্ন কথা বলতে শুরু করেন। ঘটনাচক্রে তার বলা কিছু কথা ওই তরুণের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়। তখন ওই তরুণ অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘তুমি কীভাবে এগুলো বললা? তুমি তো কবিরাজ না!’
‘কবিরাজের আসল ঘটনা ফাঁস— “রাগ করলা” খ্যাত ইমান আলির এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ।’
ইমান আলি জানান, তিনি গুলিস্তানে রিকশা চালাতেন। একদিন সেখানে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয়, যিনি গাছপালা ও তাবিজজাতীয় জিনিস বিক্রি করছিলেন। কৌতূহলবশত তিনি লোকটির পাশে দাঁড়ালে ওই ব্যক্তি প্রথমে তার কাছে ১০ টাকা চান। পরে ধাপে ধাপে ৫০ ট
