Uncategorized

শ্রমের হাটে ‘বিক্রি হওয়ার’ অপেক্ষায় মানুষগুলো

শ্রমের হাটে প্রতিদিন কাজ পাওয়ার আশায় জড়ো হন শ্রমজীবীরা শ রম র হ ট ব ক - বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ফকিরাপুল পানির ট্যাংক এলাকায় গোনা হয় অসংখ্য শ্রমজীবী

Desk Uncategorized
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শ্রমের হাটে প্রতিদিন কাজ পাওয়ার আশায় জড়ো হন শ্রমজীবীরা

শ রম র হ ট ব ক – বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ফকিরাপুল পানির ট্যাংক এলাকায় গোনা হয় অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। দুপুর ছয়টার পর থেকে নিয়োগ খুঁজতে শুরু হয় তাঁদের দৈনিক প্রতিদিন। সেখানে নানা ধরনের কর্মসংস্থানের আশায় অনেকে সকালের প্রথম আলোয় বসে প্রতিক্ষা করেন। এই হাটে সাধারণত কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, রংমিস্ত্রি ও তাঁদের সহকারীরা আসেন। এছাড়াও মাটিকাটার শ্রমিক, দিনমজুর ও ভ্যানচালক ইত্যাদি কর্মীরা সেখানে জড়ো হন।

এই হাটের মানুষগুলো কাজের খোঁজে নিয়মিত আসেন। গতকাল সোমবার সকালে একজন সামনে হাজির হন দারুন আলী ওরফে বাঁশিওয়ালা। তাঁর সঙ্গে কথা হয় যেখানে অনেক দিন হয়ে গেছে এবং এখন কাজ পাওয়ার আশায় সকালে সেখানে অপেক্ষা করছেন। দারুন আলী পেশায় নির্মাণশ্রমিক। তাঁর বয়স ৬০ ছুঁয়ে গেছে। নাম তাঁর দারুন আলী হলেও সেই নামে কেউ তাঁকে ডাকে না। প্রতিদিন যুবক বয়সে তাঁর শুধু বাঁশি বাজানোর নেশা ছিল। সেই থেকে নাম হয়ে গেছে বাঁশিওয়ালা।

‘একটা বাঁশ ভাইঙ্গা গেলেই শ্যাষ। এই বয়সে ওই কাজ পারুম না।’

দারুন আলী এখনও বাঁশি বাজানোর আশায় কোনও কাজ খুঁজছেন। সাততলা নির্মাণাধীন ভবনের বাইরের অংশে বাঁশ দিয়ে বানানো মাচার ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে। এই জায়গায় কাজের প্রতিদিন জোটে না। তাঁর মজুরি প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় হয়। মাসে খরচ হয় ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। যার ফলে তাঁর পুরো সংসারের ভার তাঁকেই টানতে হয়। তিন ছেলে ও স্ত্রীর সাথে তিনি বাস করেন শাহজাহানপুরে। ছেলেরা বয়সে বড় হলেও কাজে আগ্রহ নেই। এমন করে সংসার চলছে বলে দারুন আলী আশা করেন।

গতকাল সকাল ১০টা পর্যন্ত কাজ জোটেনি দারুন আলীর। রাতে মুঠোফোনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। কয়েক ঘন্টা পর কাজ পেয়েছেন তিনি। এক হাজার টাকার মজুরি পান। এই হাটে কেউ কেউ জ্বালানী বা মুদ্রা দিয়ে কাজ করতে চায়। কারও হাতে ঝুড়ি–কোদাল, কারও হাতে বালতি–রঙের ব্রাশ থাকে। অপেক্ষায় থাকেন শ্রমিকরা। আশায় আছেন কে কখন বিক্রি হবেন।

অপেক্ষায় আছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন যে কাজ খুঁজতে এখনও সাধারণত এই স্থানটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আট জন শ্রমিকের সাথে কথা বলেছে প্রথম আলো। প্রত্যেকেই বলেন কা�

Leave a Comment