শিক্ষার ক্ষেত্রে নিয়োগ বিষয়ে বিতর্ক বাড়ছে: কর্মীদের চিত্তাকর্ষণ হতে সহকারী কমিশনারে যোগদান
অধ য পন ছ ড় সহক র – বাংলাদেশে বিসিএস ফলাফলের পর সামাজিক ভাবাবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক তারান প্রতিবার অপ্রতিহত উপস্থিত হয়েছে। অনেকে জনপরিসরে স্বাভাবিক কাজের পরিবর্তে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখী হচ্ছেন, যার পরিণামে শিক্ষক ও অধ্যাপনার বাস্তবতা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দশম গ্রেডের কর্মীদের ক্ষেত্রে সহকারী কমিশনার হিসেবে চাকরি বিস্তারে সম্প্রতি একটি বিস্ময় আবির্ভূত হয়েছে। এটি নিয়োগ বিষয়ে বিতর্কের এক নতুন ধারা হিসেবে স্থান পাচ্ছে যে শিক্ষক পেশায় অনেক বছরের সম্প্রীতি ও অর্জনের ফলে গঠিত বিদ্যায়তনিক বিশ্বাসের বাস্তব সংকট কোনো ক্ষুদ্র চাপের উপর ভিত্তি করে নিয়োগ বিভাগে পা বাড়াচ্ছেন কিংবা বিশেষ পেশায় স্থানান্তরের সুযোগ গ্রহণ করছেন। তার পরিণতি হিসেবে শিক্ষক চাকরির একটি বিশেষ আকর্ষণ ও অনুপ্রেরণামূলক ভূমিকা বিস্ময়ের প্রশ্ন তুলে আসছে।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিবর্তন
বিসিএস (জেনারেল এডুকেশন) কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুলস, ১৯৮০ এর আওতাভুক্ত করা হয়েছিল শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো। স্কুল ও কলেজ শাখার ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত অস্তিত্ব রাখলেও পরবর্তী সোপানে তাদের ক্ষেত্র অভিন্ন ক্যাডারে রূপান্তরিত হবে এমন ধারণা বিধানে প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে এই দূরদর্শী পরিকল্পনা কালক্রমে শিক্ষা ক্যাডারের প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক পরিধি নির্দিষ্ট করা হয়েছিল তীব্র সংকুচনের প্রবণতা। কারিগরি শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা, ব্যানবেইস এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরগুলো শিক্ষা ক্যাডারের প্রাধান্যে বাইরে থাকছে বলে দেখা যাচ্ছে। এই প্রবণতার পরিণাম হিসেবে শিক্ষার সর্বোচ্চ পদ অধ্যাপককে জাতীয় বেতন স্কেলের চতুর্থ গ্রেডে অবরুদ্ধ ক
