Uncategorized

রাজধানীতে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু করল ঢাকা উত্তর সিটি

রাজধানীতে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু করল ঢাকা উত্তর সিটি র জধ ন ত ম য় ওয় - ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বায়ু, পানি ও মাটির দূষণ কমানো এবং

Desk Uncategorized
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রাজধানীতে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু করল ঢাকা উত্তর সিটি

র জধ ন ত ম য় ওয় – ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বায়ু, পানি ও মাটির দূষণ কমানো এবং পরিবেশগত সাম্য রক্ষা করার জন্য সবুজ বনায়নের কাজ শুরু করেছে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতির মাধ্যমে। আজ সোমবার বিকেলে উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার ৪ নম্বর সেতুসংলগ্ন দ্বারা দেশি প্রজাতির গাছ খুব ঘনভাবে রাখা হয়েছে। এ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে পূর্ব পাশে বসানো নির্ধারিত সবুজায়ন এলাকায়।

মিয়াওয়াকি পদ্ধতি কী?

মিয়াওয়াকি পদ্ধতি হচ্ছে অত্যন্ত দ্রুত ঘন বন তৈরির একটি বিশেষ পদ্ধতি। জাপানের উদ্ভিদবিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকি এই পদ্ধতির সৃষ্টি করেন। স্বাভাবিক বনের মতো পরিবেশ দ্রুত গঠন করতে কম জায়গায় প্রজাতির বিস্তার করা হয়। এতে স্বাভাবিক প্রাকৃতিক স্থায়িত্ব ও মাটির অবস্থা উন্নয়ন হতে পারে।

গাছের উপকারিতা সবাই জানে বলে করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, নগরজীবনে এর বাস্তব প্রভাব অনুভব করার সুযোগ খুব কম। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে নগর বনায়ন কাজ চালু হয়েছে। গত বছরের নভেম্বর ২৬ থেকে গত বছরের জানুয়ারী ১৫ পর্যন্ত প্রথম ধাপে প্রায় ১৪ হাজার গাছ রাখা হয়। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে এলাকায় প্রায় ৩৯ হাজার ৪০০ গাছ বসানো হবে। বৃক্ষরোপণে প্রজাতি বিস্তার করা হবে দেশি ফলদ, ঔষধি, শোভাবর্ধনকারী এবং কাঠজাত প্রকারের মধ্যে।

বনভূমি ঢাকা দূষণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কাশেম। প্রকল্পের অংশ হিসেবে আগামী ৫ বছরে ৫ লাখ গাছ লাগানো হবে। এ বছরই ৫০ হাজার গাছ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পে বায়ুমান বিশ্লেষণ ও করণীয় নির্ধারণে অংশগ্রহণ করছেন আহম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার ও রওফা খানম। বায়ুফিলিক ডিজাইন এবং বায়ুমিমিক্রি নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। উঁচু-নিচু টিলা, লেক পাড় ঘেষা হাঁটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও টাস্কফোর্স সদস্য হিসেবে কাজ করছেন আরহাম উল হক চৌধুরী।

Leave a Comment