নরসিংদী শিশু নির্যাতন মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার
নরস দ ত দ ই ম স – নরসিংদীতে দুই মাস বয়সী শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তার নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে রূপগঞ্জ এলাকায় অভিযানের পরিণতিতে তিনি আটক হন। এই ঘটনায় শিশুর মুচড়ে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নরসিংদী পুলিশ তদন্নী শুরু করে।
নরসিংদী মাধবদী থানার মামলা ও অভিযুক্তরা
মাধবদী থানায় নরসিংদী থেকে মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, তিনি জহিরুল হক ও সায়েবা বেগম দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান শিশুকে নির্যাতন করেন। এ মামলায় তাঁকে সাথে স্বামী কাউছার আহম্মেদ ও বাবা আলমাছ মিয়া আসামি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা, নরসিংদী থেকে এ মামলার আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার হন।
র্যাব কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম আরও বলেন, নরসিংদীতে ঘটেছে এ ধরনের নির্যাতনের মামলায় নারায়ণগঞ্জে আসামি গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান যে নারী ও শিশু নির্যাতন জঘন্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
গ্রেপ্তার ফারজানা আক্তার জহিরুল হকের বড় ভাই কাওছার হকের স্ত্রী। নরসিংদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন আরও জানান, শিশুটির মুচড়ে দেওয়ার ভিডিও নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়ার পর মামলার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
নরসিংদী শিশু নির্যাতন ঘটনার বিস্তার
নরসিংদী মাধবদী থানার তদন্নী পর আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার হন। কাউছার আহম্মেদ ও আলমাছ মিয়া এ মামলায় প্রথমে আটক হন, কিন্তু প্রধান অভিযুক্ত ফারজানা আক্তার আত্মগোপনে ছিলেন। সূত্রে জানা, নরসিংদী থেকে এ ঘটনার প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ ধারাবাহিকতা প্রদর্শন করে।
নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী গ্রামে এ মামলার প্রধান আসামি নির্যাতনের ঘটনায় অংশ নেন। এ ঘটনায় শিশুটি ভারী আহত হওয়ার পর পরিবার তথা গ্রামের সদস্যদের বিপদ ঘটে। নরসিংদী পুলিশ গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে আসামি তাঁকে নারায়ণগঞ্জে আটক করেন।
নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ফারজানা আক্তার ও তাঁর স্বামী কাউছার আহম্মেদ নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নে বাস করেন। এ মামলার প্রতিবেদনে নরসিংদী পুলিশ আরও জানায় যে আসামি গ্রেপ্তার �
