যে ৭ কারণে মানুষ হেদায়েত থেকে বঞ্চিত হয়
য ৭ ক রণ ম ন ষ – হেদায়েত আল্লাহর একটি মহান নেয়ামত, যা মানুষকে সত্যের দিকে পরিচালিত করে। তবে কিছু নৈতিক ও আত্মিক অসুবিধা এই পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ প্রতিবন্ধকতার বিষয় স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে। নিম্নে হেদায়েত থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রধান কয়েকটি কারণ আলোচনা করা হলো।
হিংসা ও অহংকারের প্রভাব
হিংসা ও অহংকার হেদায়েত লাভে বড় বাধা হয়। আল্লাহ কোনো অহংকারীকে হেদায়েত দান করেন না। কোরাইশ নেতাদের হেদায়েত না পাওয়ার কারণ হিসেবে হিংসা ও সত্যের প্রতি বিদ্বেষ উল্লেখযোগ্য।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘পৃথিবীতে যারা অন্যায়ভাবে অহংকার করে আমি তাদের আমার নিদর্শনসমূহ থেকে বিমুখ রাখব। তারা আমার সব রকম নিদর্শন দেখলেও তাতে ইমান আনবে না। তারা হেদায়েতের সরল পথ দেখলেও সে পথ গ্রহণ করবে না। কিন্তু ভ্রষ্টতার পথ দেখলে সেটা গ্রহণ করবে।’ (সুরা আরাফ, আয়াত: ১৪৬)
নেতৃত্ব লোভের বিপর্যয়
নেতৃত্ব ও পদমর্যাদার লোভ হেদায়েতের পথে বড় বাধা হতে পারে। হিরাক্লিয়াসের অবস্থা এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। মদিনার দূত দাহিয়া কালবি (রা.) তাঁর নিকট নবীজির চিঠি পৌঁছান। কিন্তু ইমান আনার ইচ্ছা সত্ত্বেও নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে তিনি হেদায়েতের পথ গ্রহণ করতে পারেননি।
সুরা কাহফ, আয়াত: ২৮ এ বলা হয়েছে, ‘আর আপনি ওই ব্যক্তির আনুগত্য করবেন না, যার অন্তরকে আমি আমার স্মরণ থেকে উদাসীন করে দিয়েছি এবং সে তার খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে এবং তার কার্যকলাপ সীমা ছাড়িয়ে গেছে।’
প্রবৃত্তি পূজা ও অন্ধ বিশ্বাস
প্রবৃত্তি ও আনুগত্য হেদায়েত থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে রাখে। তাদের হক ও সত্য থেকে বিচ্যুত করে দেয়। মিথ্যাকে তার সামনে সুশোভিত করে হাজির করে এবং সেও অন্ধভাবে তা বিশ্বাস করে নেয়।
সুরা সোয়াদ, আয়াত: ২৬ এ বলা হয়েছে, ‘আর আপনি প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। তাহলে তা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে।’
পরিবার-পরিজন ও ধনসম্পদের ভালোবাসা
পরিবার ও ধনসম্পদের ভালোবাসা স্বাভাবিক। কিন্তু এসব যদি সীমা অতিক্রম করে তবে এগুলো হেদায়েত বঞ্চিত হওয়ার কারণ হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের কাছে যদি তোমাদের পিতা, পুত্র, ভাই, স্ত্রী, গোত্র ও ধনসম্পদ যা তোমরা উপার্�
